Showing posts with label হারবাল তথ্য. Show all posts
Showing posts with label হারবাল তথ্য. Show all posts

0 ঔষধি উদ্ভিদভিত্তিক রোগে ব্যবহার

অড়হড় – Cajanus cajan (L.) Millsp.
ব্যবহার্য অংশ : পাতা, বীজ
কার্যকারিতা : ঋতুস্রাব নি:সারক, শোথ ও বাত, ব্যথায় উপকারী।



অশ্বগন্ধা – Withania somnifera (L.) Dunal
ব্যবহার্য অংশ : মূল, পাতা, ফল, বীজ
কার্যকারিতা : বার্ধ্ক্য জনিত দূর্বলতা ও স্নায়ুবিক দূর্বলতায় উপকারী।



আদা – Zingiber officinala Rosc.
ব্যবহার্য অংশ : কন্দ, রস
কার্যকারিতা : হজমকারক, কফ নি:সারক, ক্ষুধাবর্ধক।

0 প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে এজিং কোড ভেঙ্গে বার্ধক্য (পজ) প্রতিরোধের উপায়



পজের নাম : কার্ডিওপজ
শারীরিক প্রতিক্রিয়া : হৃদপিন্ডের স্পন্দন হার কমে যায়
পজের বিরুদ্ধে কার্যকর উপাদান :
ভিটামিন-এ : উৎস- সবুজ শাক-সবজি, পাকা আম, পাকা কলা, গাজর, মিষ্টি কুমড়া, আনারস, মিষ্টি আলু, যকৃত, পনির, মাখন, ডিম, দুধ।
ভিটামিন-সি : উৎস- আমলকী, কমলা, লেবু, টমেটো, ব্রকলি।
ভিটামিন-বি৩ : উৎস- লিভার, চর্বিহীন, মাংস, শস্য, বাদাম, মাছ, ডিম, সূর্যমুখীর বীজ ও তেল।
ভিটামিন-বি৩ : উৎস- কলা, গম, বাধাকপি, শিমবীজ, ডিম, দুধ, মাছ, যকৃত, ভাতের মাড়।
ম্যাগনেশিয়াম : উৎস- সয়াবিন বীজ, সবুজ শাক-সবজি, শস্য জাতীয় খাবার, বাদাম, চিংড়ী মাছ।
জিংক : উৎস- ডাল, যব, ভুট্টা, শিম বীজ, বাদাম, আদা, সবুজ শাক-সবজী, দুধ, ডিম, মাংস, মিষ্টি কুমড়ার বীজ ও ভাতের মাড়।
সেলেনিয়াম : উৎস- অঙ্কুরিত গম, গমের ভূষি, গমের রুটি, পিয়াজ, রসুন, টমেটো, ব্রকলি, টুনা মাছ ও ভাতের মাড়।
পটাশিয়াম : উৎস- কলা, সবুজ শাক-সবজী, ফলের জুস, বাদাম, কচি ডাব, ডুমুর, আলুর খোসা ও ভাতের মাড়।
টরিন : উৎস- এটা প্রধানত দেহে (পিত্ত) তৈরী হয়। এছাড়া মাছ, মাংস ও ডিমেও পাওয়া যায়।
ক্রোমিয়াম : উৎস- মাশরুম, চিটাগুড়, যকৃত, মাংস, পনির, ডিমের কুসুম ও শস্য জাতীয় খাবার।
মলিবডেনাম : উৎস- অঙ্কুরিত গম, শিম, ডাল, শস্য, ডিম ও যকৃত।

0 প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে এজিং কোড ভেঙ্গে বার্ধক্য (পজ) প্রতিরোধের উপায়


পজের নাম : এড্রিনোপজ
শারীরিক প্রতিক্রিয়া : এর ফলে ডাই-হাইড্রো ইপিএন্ড্রোস্টিনিডিয়ন (DHEA) ব্যাহত হয়।
পজের বিরুদ্ধে কার্যকর উপাদান : ভিটামিন-সি
উৎস : পেয়ারা, আমলকী, কমলা, লেবু, টমেটো, কামরাঙ্গা, ব্রকলি ইত্যাদি।


পজের নাম : এন্ড্রোপজ
শারীরিক প্রতিক্রিয়া : এ অবস্থায় পুরুষের হরমোন কমে যায়।
পজের বিরুদ্ধে কার্যকর উপাদান : আরজিনিন
উৎস : কাঁচা শস্য, চকলেট ও বাদাম।

0 ঔষধি উদ্ভিদভিত্তিক রোগে ব্যবহার


অশোক - Saraca asoca (Roxb.) de Wilde
ব্যবহার্য অংশ - ছাল, বীজ, পাতা
কার্যকারিতা : আমাশয়, পাইলস, সিফিলিস, ডায়াবেটিস, অতিরিক্ত ঋতুস্রাব ও শ্বেত প্রদরে কার্যকরী।


অনন্তমূল - Hemidesmus indicus (L.) R. Br.
ব্যবহার্য অংশ - মূল পাতাসহ গাছের সমস্ত অংশ
কার্যকারিতা : রক্ত পরিষ্কারক, মূত্রকারক, শরীরের জ্বালাপোড়া নিরাময়ে কার্যকরী।


অর্জুন - Terminalia arjuna (Roxb. ex Dc) Wight & Arn.
ব্যবহার্য অংশ - ছাল। তবে এক্ষেত্রে বিশেষ পাতা ও ফল
কার্যকারিতা : বাকল উচ্চ রক্তচাপে কার্যকরী ও হৃদপিন্ডের শক্তিবর্ধক।

0 জিনসেং


জিনসেং মানব দেহ আকৃতির এক ধরনের গাছ। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ হার্বস জিনসেং এর বৈজ্ঞানিক নাম Panax ginseng Mey. প্যানেক্স (গ্রীক শব্দ প্যানেক্স থেকে উৎপত্তি) এর অর্থ সর্বরোগ বিনাশক।

চীনের বেইজিং থেকে ১০০০ মাইল উত্তরে জিনসেং প্রদেশের জিনসেং (বরফ আচ্ছাদিত) পাহাড়ে জিনসেং প্রথম পাওয়া গিয়েছিল। জিনসেং সর্বরোগ বিনাশ করে। বিশেষ করে যে কোন বয়সের দুর্বল রোগী/মানুষকে সবল করতে সক্ষম। যৌবন ধরে রাখার আশ্চর্যজনক ভেষজ জিনসেং। শরীরের কর্মক্ষমতা ও উদ্দীপনা বৃদ্ধি করে বার্ধক্য প্রতিরোধ করে।