Showing posts with label হ্যাকিং বাজ. Show all posts
Showing posts with label হ্যাকিং বাজ. Show all posts

0 হ্যাকিং লার্নিং :: আইপি লুকানো (বিস্তারিত)

আইপি এড্রেস পরিবর্তন খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কারন এর মাধ্যমে আমরা অনেক সুবিধা ভোগ করতে পারব। আমরা অনেকে রেপিডশেয়ার থেকে ফাইল ডাউনলোড করি। একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর এইসব ফাইল হোস্টিং সাইট ডাউনলোডের সুযোগ দিয়ে থাকে। আইপি হাইডের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করা যায়। এই আইপি পরিবর্তনের ফলে আমরা ফায়ারওয়াল বাইপাস করতে পারব। অনেক সাইট রয়েছে যেগুলো থেকে একটি আইপি দিয়ে একটি একাউন্ট খোলা যায়। আপনি আইপি পরিবর্তন বা হাইড করে সেখান থেকে অনেকগুলো একাউন্ট করতে পারেন।হ্যাকিং করার সময় নিজেকে ধরা খাওয়ার হাত থেকে বাঁচানো যায়। এটা করার দ্বারা অন্যকে খুব ভালোভাবে বোকা বানানো যায়। প্রক্সি শিখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারন হ্যাকিং করার সময় এটা আপনাকে নিশ্চিন্ত রাখে। তাহলে শুরু করা যাক।
মনে করুন আপনি কোন মেয়েকে প্রপোজ করবেন। কিন্তু আপনি তার প্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে সন্ধ্বিহান। তাহলে আপনি কি করবেন? আপনার কোন বন্ধুকে বলবেন তাকে বলার জন্য যে আপনি মেয়েটিকে ভালোবাসেন, তাই না? আর এটাই প্রক্সি। হিহি, আসলে এটা প্রক্সি না এটা হচ্ছে প্রক্সির ব্যাপারে একটা উদাহরন।
যখন আপনি কোন তথ্য কোন ওয়েবসার্ভারকে পাঠাবেন তখন ঐ সার্ভার সবর্প্রথম আপনার আইপি দেখবে। তখন সে সহযেই আপনাকে ট্রেস করতে পারবে। আর যদি আপনি প্রক্সি সেট করেন তখন যদি আপনি কোন তথ্য ঐ একই সার্ভারকে পাঠাতে চান তাহলে সে আর আপনাকে ট্রেস করতে পারবে না কারন তখন সে আপনার আইপি খুজতে গিয়ে পাবে প্রক্সি সার্ভারের আইপি। নিচে প্রক্সির কাযর্কলাপ লক্ষ্য করুন।

প্রক্সি করার আগে :

আপনি—>ইয়াহুতে তথ্য পাঠাচ্ছেন—–>ইয়াহু আবার আপনাকে প্রতিউত্তর দিচ্ছে

প্রক্সি করার পর :

আপনি—>প্রক্সি সার্ভার—->ইয়াহু সার্ভার—->প্রক্সি সার্ভার—–>প্রতিউত্তর
আশা করি প্রক্সি সম্পর্কে একটা সাম্মক জ্ঞান আপনাদের লাভ হয়েছে। প্রক্সি করার পর লক্ষ্য করবেন আপনার ইন্টারনেটের গতি একেবারে কমে গেছে। এখন একটি গল্প বলছি।

কিছু মাস আগে আমেরিকার একটি ১৬ বৎসর বয়সের বালক নাসার ওয়েবসাইটে ডস এ্যাটাক চালাল। ওই মূহুর্তে নাসা তাদের একটি রোবট মঙ্গল গ্রহে পাঠায়। যখন বালকটি ডস এ্যাটাক চালায় ঠিক তখনই রোবটটি মঙ্গলে অবতরন করেছিল। এ্যাটাকের পর রোবটটি থেমে গিয়েছিল। এর পর নাসার সব বিজ্ঞানীরা একে অপরের মুখের দিকে নিবোর্দের মত তাকাতে লাগল। হায় আল্লাহ কি হচ্ছে এসব? এখন তারা খুজতে লাগল কে এই কাজ করেছে। ঠিক ১৪দিনের মাথায় তারা বালকটি সম্পর্কে জানতে পারল এবং তাকে পাকরাও করল।

এখন প্রশ্ন আসতে পারে কেন আমি গল্পটি এখানে লিখলাম, তাই না?

আসলে বালকটি তার আইপি পরিবর্তন করেছে ৪ বার। সে প্রথমে প্রক্সি ব্যবহার করে। তারপর তার আগের প্রক্সির জায়গায় নতুন প্রক্সি বসায়। এভাবে ৪ বার সে তার আইপি বদলায়। কিন্তু সে তার ম্যাক এড্রেস পরিবর্তন করে নি। আমি আপনাদের সবই বলছি, যদি আপনি প্রক্সি ব্যবহার করেন তখন ওয়েবমাস্টার আপনাকে ট্রেস করতে পারবে না কারন যখন সে আপনার আইপি খুঁজবে তখন পাবে প্রক্সি। যদি আপনি ১০ বার প্রক্সি পরিবর্তন করেন তাহলে ১০০% নিশ্চিত থাকতে পারেন যে আপনি ১ মাসের জন্য নিরাপদ। এফবিআই প্রথমে ১০প্রক্সি ট্রেস করার চেষ্টা করবে, তারপর ৯নং এভাবে চলতে থাকবে শেষ না হওয়া পযর্ন্ত। এভাবে ১ মাস চলে যাবে। তারা সরাসরি আপনার পিসি থেকে ট্রেস করতে পারবে না। তাদের শশরীরে যেতে হবে এক একটি প্রক্সি ট্রেস করার জন্য। সুতরাং সময় লাগবে। আমার মনে হয় আপনারা প্রক্সির গুরুত্ব বুঝতে পেরেছেন।
প্রথমে গুগলে সার্চ দিন ‘list of proxy address’ বা ‘free proxy server’ লিখে।
অনেক ফলাফল আসবে আপনার সামনে। ওইখান থেকে প্রথমে যেকোন একটি ফলাফল বেছে নিন। তারপর ওই ওয়েবসাইটে দেখবেন অনেক আইপি এড্রেস রয়েছে সাথে পোর্ট নাম্বার।আপনি যা দেখছেন প্রত্যেকটি হচ্ছে এক একটি প্রক্সি সার্ভার এর আইপি। এখন আপনি যেকোন একটি আইপি এবং পোর্ট কপি করেন। এবার আপনি আপনার কম্পিউটারে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার খুলুন এবং নিচের পন্হা অনুসরন করুন।
tools>internet option>connection>lan setting
ল্যান সেটিংয়ে যান। সেখানে আপনি নীল রংয়ের দুটি লাইন দেখতে পাবেন। একটা হচ্ছে Automatic Configuration এবং অন্যটা হচ্ছে Proxy Server
এখন Proxy Server নামের ট্যাবে আপনি দেখতে পাবেন ৪টা ব্লক। তারমধ্যে ২টা টিক চিন্হ দেয়ার জন্য আর ২টা হচ্ছে ঠিকানা দেয়ার। আপনি ২টাতে টিক দিয়ে দিন। ঠিকানার ঘরে আপনি আপনার কপিকৃত আইপি এড্রেসটি দিয়ে দিন আর পোর্ট এর ঘরে কপিকৃত পোর্টটি। মনে রাখবেন টিক দিতে কিন্তু ভুলবেন না। এবার ওকে করুন।
এবার খুলুন http://www.whatismyip.com
এখন ওখানে আপনি দেখতে পাবেন আপনার আইপি পরিবর্তন হয়েছে।

মজিলা ফায়ারফক্সের ক্ষেত্রে

tools>options>advanced>network>settings
এখানে সেটিংসে আইপি এবং পোর্ট নাম্বার দিন। ওকে করুন। এরকম অনেক ব্রাউজার রয়েছে। আসলে সবগুলোর সিস্টেম একই। একটু চেষ্টা করলেই আপনি করতে পারবেন।

একি আবারও প্রশ্ন করছেন কেন আপনি প্রক্সি ব্যবহার করবেন?
শুনুন, ইন্টারনেটে হ্যাকিং জাতিয় কাজ করতে গেলে প্রক্সি রাখবে আপনাকে একেবারে নিশ্চিন্ত। কিন্তু প্রক্সির ব্ন্যা বসাবেন কিভাবে? প্রক্সি বন্যা মানে হচ্ছে প্রথমে একটি প্রক্সি নিবেন তারপর আরেকটি বদলাবেন, তারপর আরেকটি এভাবে চলতে থাকবে। এটা করলে আপনি থাকবেন একেবারে নিশ্চিন্ত। আমি্ এখন আপনাদেরকে কয়েকটি সফটওয়্যারের নাম বলব যেগুলো প্রক্সি বন্যার জন্য যথেষ্ট। তবে আপনি ইচ্ছে করলে গুগল মামাকে ব্যবহার করে আরও অনেকগুলো পেতে পারেন।
SocksChain
Happy Browser Tool
Multiproxy
Tor
যখন আপনি কোন হ্যাকিংয়ের কাজ আরম্ভ করবেন তখন উপরের যেকোন একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করবেন। তাহলেই আপনি নিশ্চিন্ত থাকতে পারবেন। উপরের সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে মাল্টিপ্রক্সি টুলটি অসাধারন।

এখন অতিরিক্ত কিছু :

“Browzar” নামে একটি সফটওয়্যার আছে এটি ব্যবহার করুন হ্যকিংয়ের সময়। কারন এই টুলটি কোন লগ ছেড়ে আসে না। অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য একটি সফটওয়্যার। ঠিক এর মতই আরেকটি টুল হচেছ “Torpark Browser”
এখন মনে করুন আপনি প্রক্সি ব্যবহার করলেন কিন্তু খেয়াল করবেন যে আপনার ইন্টারনেটের গতি কমে গেছে। এখন উপায়? এক্ষেত্রে আপনি ব্যবহার করতে পারেন “Ultra Surf” এটা আপনাকে যথেষ্টভাবে সাহায্য করবে। তেমন কিছুই করতে হয় না। ডাউনলোড করার পর দুটো ক্লিক করুন। একটি তালার চিন্হ দেখতে পাবেন। এবার মনের সুখে ব্রাউজিং করুন। নীচে কিছু প্রক্সি সাইটের লিংক দেয়া হল :
http://www.hidemyass.com/
http://www.anonymizer.com/
http://www.wujie.net/
http://www.ultrareach.net/
http://surfshield.net/
উপরে কিছু প্রক্সি সেবাদানকারী সাইটও রয়েছে যেগুলো আপনাকে ব্লক করা ওয়েবসাইটেও প্রবেশ করতে সহায়তা করবে।
প্রক্সি সার্ভার ৪ ধরনের হয়ে থাকে।
.         ট্রান্সপারেন্ট প্রক্সি — লিস্ট
.         এনোনিমাস — লিস্ট
.         ডিসটোরটিং — লিস্ট
.         হাই এনোনিমিটি (এটাই সবচেযে ভালো) — লিস্ট
প্রক্সি চেক করতে পারেন এখানে।
আইপি লুকানোর জন্য কিছু কার্যকরী সফটওয়্যার নিচে দেয়া হল।
Hide IP Next Generation
Hide The IP
Hide-MY-IP
উপরের সফটওয়্যারগুলো সব ডেমো। আপনি আগে ব্যবহার শিখুন। তারপর ফুল ভার্সন ব্যবহার করুন। এছাড়াও ইন্টারনেট সার্চ করলে আরও অনেক সফটওয়্যার পেতে পারেন। আর টরেন্ট সার্চ করলে ফুল ভার্সন পেয়ে যাবেন।
আজ এ পযর্ন্তই। সবাই ভালো থাকবেন।

0 হ্যাকিং লার্নিং :: সফটওয়্যার এবং আরো কিছু

This summary is not available. Please click here to view the post.

0 হ্যাকিং লার্নিং :: হ্যাকিংয়ে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও)

আপনারা বোধহয় ভাবছেন হ্যাকিংয়ের সাথে আবার এসইও’র সম্পর্ক কী? এসলে এসইও’র সাথে এসইওর রয়েছে এক গভীর সম্পর্ক। সম্পূর্ণ টিউনে আমি তা বলার চেষ্টা করব।
এসইও আপনাকে ঠিক ঐ তথ্যটিই দিবে যা মূলত আপনি গুগল থেকে জানতে চেয়েছিলেন। মনে করুন আপনি গুগল থেকে একটি তথ্য জানতে চান কিন্তু গুগল আপনাকে ঐ টপিকটির উপরই ১০০০০ এর অধিক তথ্য উপস্থাপন করবে। তাহলে দেখা যাচ্ছে যে সঠিক তথ্যটি খুজে পাওয়া খুব কঠিন তাই না? এসইও আপনাকে এই কাজটিই সঠিকভাবে করে দেবে। তাহলে শুরু করা যাক।
আমি একটি সাইটের লিংক দিচ্ছি।
http://www.stareongroup.com
উপরোক্ত লাইনটিতে ক্লিক করলে আপনি একটি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবেন। সেই ওয়েবসাইটটির শিরোনাম হচ্ছে Stareon Group | Your Trusted Fashion Style Partner
নীল রংয়ের যে লাইনটি উপরে দেখতে পাচ্ছেন সেটিকে বলা হয় (URL = Uniform Resource Locator)আর ওয়েবসাইটটির ভেতর যত তথ্য বা উপাত্ত আপনি দেখতে পাচ্ছেন সেগুলো হচ্ছে ‘TEXT’.
এখন মনে করুন আপনি গুগলে কিছু সার্চ করবেন বা খুজবেন। ধরি আপনি কোন ফোরাম খুজবেন। সেটা হতে পারে হ্যাকিং ফোরাম। তাহলে গুগলের সার্চ বক্সে লিখুন
inurl:forum
অর্থাৎ আপনার টপিক যা ই হোক না কেন আপনি সেটাই লিখে সার্চ দিতে পারেন।
inurl:আপনার কাঙ্খিত বিষয়বস্তু
আপনি যদি text বা কোন লেখা বা কোন শব্দকে টপিক হিসেবে ধরে সার্চ দিতে চান তাহলে লিখুন
Intext:আপনার কাঙ্খিত বিষয়বস্তু

আমি জানি আপনারা অনেকেই এসব বিষয়ে একেবারে সিদ্ধহস্ত। কিন্তু আমি লিখছি আমার মত নতুনদের জন্য। আর একটা জিনিস তা হচ্ছে, আপনাকে এসইও বুঝতে হবে, তা না হলে কোন ওয়েবসাইট হ্যাকিংয়ের সময় এসকিউএল ইন্জেকশন এর ক্ষেত্রে, ইন্টারনেটে ক্রাক ইত্যাদি খোঁজার ক্ষেত্রে আপনাকে অনেক ঝামেলায় পড়তে হবে। আশা করি বুঝতে পারছেন এসইও কেন গুরুত্বপূর্ণ।
এখন নিচে আমি যা লিখছি সেগুলো একটু অধ্যায়ন করুন। অবশ্যই ইন্টারনেটে।
মনে করুন আপনি Hacking Technique এই বিষয়ে কিছু খুঁজতে চান। তাহলে গুগলে লিখুন
intitle:hacking technique
যদি আপনি কোন ওয়েবসাইটের লগইন পেস খুঁজতে চান তাহলে লিখুন
intext:login inurl:website address
এখন যদি আপনি কোন নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের কোন তথ্য খুঁজতে চান তাহলে লিখুন
site:ওয়েবসাইটের সম্পূর্ন URL এবং আপনি যে তথ্যটি চান তা লিখুন
এখন যদি আপনি কোন pdf ফাইল খুজেঁ দেখতে চান তাহলে লিখুন
Filetype:pdf আপনার ফাইলের বিষয়
উপরে pdf এর জায়গায় আপনি doc, xls, csv ইত্যাদিও লিখতে পারেন।

সারমর্ম :

যদি আপনি URL এর সাথে সামন্জস্যপূর্ণ কিছু খুঁজতে চান তাহলে ‘inurl’
যদি আপনি শিরোনামের সাথে সামন্জস্যপূর্ণ কিচু খুঁজতে চান তাহলে ‘intitle’
যদি আপনি লেখা বা তথ্য/উপাত্তের সাথে সামন্জস্যপূর্ণ কিছু খুঁজতে চান তাহলে ‘intext’
যদি আপনি নির্দিষ্ট কোন ফরম্যাটের ফাইল খুঁজতে চান তাহলে ‘filetype’
যদি আপনার সার্চ কোন ওয়েবসাইটের তথ্য খোঁজার ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে চান তাহলে ‘site:আপনার কাঙ্খিত ওয়েবসাইটটির নাম এবং বিষয়বস্তু’
যদি আপনি কোন ওয়েবসাইট সম্পর্কে তথ্য পেতে চান তাহলে ‘info:ওয়েবসাইটটির সম্পূর্ণ URL’
সামন্জস্যপূর্ণ ওয়েবসাইট খুঁজে পেতে হলে ‘related:ওয়েবসাইটটির সম্পূর্ণ URL’
যারা এই ধরনের সার্চ নতুন জানলেন তাদের নিকট আমার অনুরোধ অনেক অধ্যায়ন করুন এই ব্যাপারটি নিয়ে।
আর যারা এই ব্যাপারটি জানেন তাদেরও অনেক কিছু শিখার আছে এখনও। সেক্ষেত্রে নিচের লিংকটি দেখতে পারেন।
http://www.exploit-db.com/google-dorks
আজ তাহলে এ পযর্ন্তই। সবাই ভালো ও সুস্থ্য থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।


0 হ্যাকিং লার্নিং ::সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং

সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং শুধুমাত্র ইন্টারনেট জগতের সাথেই যুক্ত নয় বরং তা আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার সাথেও জড়িত।আপনি কোন মেয়ের সাথে দু-নম্বরি (সহজ বাংলা ব্যবহার করলাম-কিছু মনে করবেন না) করলে সেটা হবে সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং। নিজের কাযোর্দ্ধারের জন্য অপরের কাছে মিথ্যা বললে সেটাও হবে সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং। মূলত নিজের কাযোর্দ্ধারের জন্য অপরের কোনরূপ ক্ষতিসাধন করাকেই বলে সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং।
আপনার বন্ধুর অর্কুট একাউন্ট হ্যাকিং করতে চাইলে Forget password এ ক্লিক করেই সাধারন কয়েকটি প্রশ্নের উত্তরদিয়েই আপনি হ্যাক করতে পারেন। কারন মানুষ ঐসকল জায়গায় কিছু সাধারন প্রশ্নই বেছে নেয়, আর আপনি আপনার বন্ধুর সাধারন তো আছেই এমনকি অনেক গোপন তথ্যও জানেন, তাই নয় কী? তাহলে দেখা যাচ্ছে এখানে সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
যখন টেলিফোন প্রথম আবিষ্কৃত হল তখন বিশ্বের প্রথম হ্যাকার টেলিফোনের ব্যবহারবিধি খুব ভালোভাবে পযবের্ক্ষন করল। সে দেখল যে যখন আমরা কাউকে কল দেই তখন এই কলটি প্রথমে টেলিফোন অফিসে যায় পরে কাঙ্খিত ব্যাক্তিটির কাছে যায়। তখন হ্যাকার কিছু চকলেট তৈরী করে তার পকেটে রাখল সাথে রাখল একটি বাশি। সে এই বলল যে, চকলেটের সাথে এটা একটি গিফ্ট। এবার মানুষেরা এবং তাদের বাচ্চারা বাশিগুলো দ্বারা সুর তুলতে লাগল যার ফলে সৃষ্টি হল একধরনের তরঙ্গ, যা টেলিফোন সার্ভারের তরঙ্গের মত। এটাই পরবর্তীতে হ্যাকারদের সারাবিশ্বে বিনামূল্যে কল করতে সাহায্য করল।
সম্পূর্ণ প্রকৃয়াটি লক্ষ করুন। সে শুধু নিজের চিন্তা কাজে লাগাল এবং একটি ছোট বাশি তৈরী করল। তাহলে দেখুন সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং খুবই গুরুত্বপূর্ন। আপনি কোন কিছুকে বড় করতে হলে সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং এর সাহায্য ব্যাতিত সম্ভব নয়।
আপনার বন্ধুর অর্কুট একাউন্ট হ্যাকিং করতে চাইলে Forget password এ ক্লিক করেই সাধারন কয়েকটি প্রশ্নের উত্তরদিয়েই আপনি হ্যাক করতে পারেন। কারন মানুষ ঐসকল জায়গায় কিছু সাধারন প্রশ্নই বেছে নেয়, আর আপনি আপনার বন্ধুর সাধারন তো আছেই এমনকি অনেক গোপন তথ্যও জানেন, তাই নয় কী? তাহলে দেখা যাচ্ছে এখানে সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিংয়ের শক্তিশালী সংজ্ঞা

মানুষ কতৃক ভার্চুয়াল জগতে অযাচিত কাজ যেমন কোন কর্পোরেট অফিসের নেটওয়ার্কে প্রবেশ, তাদের অনলাইন সিকিউরিটি, ফায়ারওয়াল, একাউন্ট ইত্যাদি নিবিড়ভাবে পযবের্ক্ষন করে তাতে আক্রমন করা। এক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যারের সাহায্য নেয়া যায় বা নিজের বানানো কোন হার্ডওয়্যার বা কোডিংও কাজে লাগানো যায়।
মনে করুন আপনার ইমেইলে এল এরকম একটি বার্তা যে, Congrats! You have got 100000 free visitor, CLICK HERE for withdraw. এভাবে প্রতিদিন সমগ্র বিশ্বে হাজার হাজার মানুষ তাদের ক্রেডিট কার্ডের তথ্য সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অনলাইনে জমা দিচ্ছে আর হ্যাকিংয়ের শিকার হচ্ছে। সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং নিম্নোক্ত কয়েকটি ভাগে বিভক্ত।
–>impersonation
—>posing as imp. user
—>3rd person approach
—>technical support

কম্পিউটার ভিত্তিক সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং

নিচের কয়েকটি ভাগে বিভক্ত।
–>mail/im attachments
–>pop up windows
—>sweepstakes
—>spam mail
এই অধ্যায়ের এখানেই সমাপ্তি। মনে রাখবেন কোন কাজ করার আগে এর সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিংয়ের ব্যপারটি খুব ভালোভাবে অনুধাবন করা উচিত। যখন আমরা কারও ইমেইলে কোন কিছু পাঠাই এবং সে যদি কিছু পাঠায় সেটাই সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং। আর এভাবেই আমরা সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং কাউকে ট্রোজান বা কী-লগার পাঠাতে ব্যবহার করব। সবাই খুব ভালো থাকবেন।


0 হ্যাকিং লার্নিং :: আইপি এড্রেস অনুসন্ধান করা এবং চ্যাটিংকৃত ব্যাক্তির অবস্থান জানা

ইমেইল দাতার আইপি অনুসন্ধান :

আপনার মেইলবক্স খুলুন। তার থেকে যেকোন একটি ইমেইল খুলুন। Reply-তে ক্লিক করুন। এবার Show original এ ক্লিক করুন। এখন যে তথ্যগুলো আসবে সেগুলো খুব ভালোভাবে খেয়াল করুন। সেখানেই আপনি হয়ত ইমেইল দাতার আইপি দেখতে পাবেন। কিন্তু gmail থেকে যদি কেউ আপনাকে মেইল করে তাহলে এই পদ্ধতি অনুসারে আপনি আইপি খুজে পাবেন না। এখন উপায়? হ্যা হ্যা অস্থির হবেন না। এক্ষুনি তা বলছি।
আসলে মূল ব্যাপারটি হচ্ছে gmail সবসময় https ব্যবহার করে। আমরা সাধারনত ওয়েবসাইটের এড্রেসে দেখতে পাই http যার সম্পূর্ণ রূপ হচ্ছে Hyper Text Transfer Protocol. আর https হচ্ছে এই http এর secured রূপ। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। যার কারনেই জিমেইলে আপনি আইপি খুজে পাবেন না। এখন যেই পদ্ধতিটির কথা আপনাদের বলব সেটি হচ্ছে প্রায় সব ধরনের ইমেইল এড্রেস (ইয়াহুমেইল, জিমেইল, এমএসএন ইত্যাদি) থেকে আইপি বের করার পদ্ধতি।
প্রথমেই http://readnotify.com সাইটটি খুলুন।
এরপর এখানে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এখন আপনি যার ইমেইল এড্রেস অনুসন্ধান করতে চান তার বরারব একটি মেইল লিখুন। এবার ইমেইল টু সেকশন এরিয়ায় লিখুন victim’semailid.rednotify.com
পাঠিয়ে দিন। যখন সে ইমেইলটি পড়বে তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার রিডনোটিফাই একাউন্টে তার আইপি চলে আসবে। আসলে রিডনোটিফাই একটি স্বয়ংক্রিয় লুকানো ছবি আপনার ইমেইলের সাথে ঐ ব্যাক্তি বরাবর পাঠিয়ে দেয়। যার ফলে আপনি তার আইপি পেয়ে যান। পদ্ধতিটি খুব কাজের।

অবস্থান অনুসন্ধান :

আমরা তো আইপি পেলাম এবার দেখব কিভাবে ঐ ব্যাক্তির অবস্থান সম্পর্কে জানা যায়। অর্থাৎ ব্যাক্তিটি কোন দেশের কোন শহরে আছে তা জানা।
প্রথমেই http://www.ip2location.com সাইটটি খুলুন।
এই সাইটটির খালি ঘরে আপনার কাঙ্খিত আইপি এড্রেসটি বসিয়ে দিন আর মজা দেখুন।
আপনি যার সাথে চ্যাটিং করছেন তার অবস্থান জানা :
আপনি যার সাথে চ্যাটিং করছেন তাকে তার আইপি সম্বন্ধে জিগ্যেস করুন। সে বললে তো বলতে হবে আপনার ভাগ্য সুপ্রসন্ন। আর না বললে কি করবেন? একটু অপেক্ষা করুন বলছি।
এখানে একটি ব্যাপার উল্লেখ করার মত আর তা হচ্ছে আগে আমরা একটি কমান্ডের সাথে পরিচিত হয়েছিলাম। netstat -n এর কথা মনে আছে? হ্যা এই কমান্ডটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি ইন্টারনেটে যতগুলো কানেকশনের সাথে যুক্ত আছেন ঠিক ততগুলোর তথ্যই এই কমান্ডটির মাধ্যমে পাওয়া যাবে। আরেকটু ভেঙ্গে বলছি। ধরুন, মনে করুন আপনি ফেসবুকে,জিমেইলে এবং টেকটিউনসে একই সঙ্গে প্রবেশ করে আছেন। উপরের কমান্ডটি এই তিনটি সার্ভার সম্পর্কেই আপনার কাছে তথ্য সাপ্লাই করবে। বর্তমানে ইন্টারনেটে এক এক ব্যাক্তি চ্যাটিং এর এক এক পন্থা ব্যবহার করে। যেমন : ICQ Messenger, MSN Messenger, Yahoo Messenger, Gtalk, Meebo, Gigsby, AIM ইত্যাদি। তাহলে বুঝুন কতটুকু ঝামেলার কাজ করতে যাচ্ছেন আপনি? আর এ কারনেই নিচে ধাপে ধাপে কয়েকটি ক্ষেত্র দেয়া হল। লক্ষ করুন।

ক্ষেত্র-১

যদি আপনি ICQ Messenger এ চ্যাট করেন আর সেখানের কারও অবস্থান জানতে চান তাহলে এ পদ্ধতিটি কাজে লাগান। ICQ Messenger এর কাজ করার ধরন হচ্ছে (আপনি->আপনার বন্ধু->আপনি) এইভাবে। তাই কারও আইপি সংগ্রহ করা এক্ষেত্রে খুব সহজ কাজ। মনে করুন আপনি কারও আইপি জানতে চাচ্ছেন তাহলে তাকে হিট করুন কিন্তু চ্যাটিং শুরু করবেন না। এবার Start->Run->cmd->netstat -n
এন্টার দিন। যে আইপিগুলো আসবে তা কোন রাফ কাগজে লিখে রাখুন। এবার আপনি তার সাথে চ্যাটিং আরম্ভ করুন। আবার Start->Run->cmd->netstat -n
এন্টার দিন। এবার আপনি সেখানে নতুন একটি আইপি দেখতে পাবেন। আর এই ব্যাক্তির সাথেই আপনি এখন চ্যাটিং এ ব্যাস্ত। এবার কিভাবে তার অবস্থান বের করবেন তা নিশ্চয়ই আর বলে দিতে হবে না।

ক্ষেত্র-২

.::: Yahoo Messenger, MSN Messenger, GTalk Messenger এর ক্ষেত্রে :::.
উপরোক্ত মেসেন্জারগুলোর কাজ করার ধরন হচ্ছে (আপনি-মেসেন্জারের সার্ভার-আপনার বন্ধু) এইভাবে। এখানে যদি আপনি ক্ষেত্র-১ এর পদ্ধতি কাজে লাগান তাহলে আপনি মেসেন্জারের আইপি পাবেন, ব্যাক্তির না। এইক্ষেত্রে আপনি চালাতে পারেন সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং। যদিও এটা নিয়ে পরবর্তী অধ্যায়ে আলোচনা হবে তথাপি এখানে কিছু পরিচিতি দেয়া হচ্ছে। সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং হচ্ছে কাউকে বোকা বানিয়ে তাকে হ্যাকিং করা। আর এই মেসেন্জারের ক্ষেত্রে (মনে রাখবেন অধিকাংশ মেসেন্জারই এই কাজটি করে থাকে) আপনি আপনার সাথে চ্যাটিংকৃত ব্যাক্তিটিকে বলুন আপনার কাছে কোন ফাইল পাঠাতে বা তাকে আপনি কিছু পাঠাতে পারেন, সেটা হতে পারে কোন ছবি বা আপনার ছবি। যদি সে রাজি হয় তাহলে ক্ষেত্র-১ এর পদ্ধতি চালিয়ে যান। যখন আপনি তার সাথে চ্যাটিং করবেন তখন আপনি অতিরিক্ত যে আইপি এড্রেসটি দেখতে পাবেন সেটি হচ্ছে মেসেন্জারের আইপি আর যখন সে আপনার কাছে কোন কিছু পাঠাবে তখন আরেকটি নতুন আইপি দেখতে পাবেন, সেটি হচ্ছে তার আইপি। এছাড়াও আরও একটি উপায় আছে তা হল, আপনি তাকে আপনার কাছে একটি মেইল পাঠাতে বলতে পারেন। যখনই সে মেইল পাঠাবে আপনি রিডনোটিফাই পদ্ধতি চালিয়ে যান যা আগে বলা হয়েছে। কোন প্রশ্ন?

ক্ষেত্র-৩

.::: Meebo, Gigsby, Trillion ইত্যাদি মাল্টি চ্যাটিং ইন্জিনের ক্ষেত্রে :::.
এক্ষেত্রে কোন পদ্ধতি নেই। শুধু এতটুকুই করা যায় তা হল আপনি বলতে পারেন আপনাকে মেইল করতে আর আপনি রিডনোটিফাই পদ্ধতি চালাতে পারেন। আসলে কারও আইপি পাওয়া তেমন কঠিন কাজ নয় আর এটা তেমন বড় ধরনের কাজও নয়। আইপি এড্রেসের ব্যাপারে বলতে গেলে অনেক কথা বলতে হয়। আইপি এড্রেস রয়েছে বিভিন্ন ধরনের। আবার সেখানে সাবনেট আইডি এবং হোস্ট আইডি নামক ব্যাপার রয়েছে। এছাড়াও আপনি একটি ওয়েবসাইট শুধু আইপি এড্রেস লিখেই প্রবেশ করতে পারেন যদিও সেখানে হেক্সা ট্রান্সফার এবং কোস্ট্রা ট্রান্সফার নামক ব্যাপার থেকেই যায়। কিন্তু বিশ্বাস করুন এতকিছু এখন আর আপনার করা লাগবে না। আপনি শুধুমাত্র একটি কমান্ডের সাহায্যেই আপনার আইপির নারিনক্ষত্র বের করতে পারবেন। পদ্ধতিটি অনুসরন করুন।
Start->Run->cmd->ipconfig/all
এন্টার চাপুন। সকল তথ্য এখন আপনার সামনে চলে আসবে। এছাড়াও inconfig/series কমান্ডটিও ব্যবহার করা যায় তবে netstat -n এটিই প্রসিদ্ধ।
আজ এ পযর্ন্তই। পরবর্তী অধ্যায়ে আমরা আরও ভালো কিছু দিতে পারব বলে আশা রাখছি। দোয়া দরখাস্ত। আল্লাহ হাফিজ।

0 হ্যাকিং লার্নিং :: আইপি(IP) এড্রেস কি? এর বিতর্কিত ব্যবহার – বিস্তারিত



আইপি এড্রেস কি?

আইপি এড্রেস(IP Address) এর সম্পূর্ন ইংরেজী রূপ হচ্ছে Internet Protocol Address. ভার্চুয়াল জগৎ থেকে আপনি যে তথ্য নিচ্ছেন তার উপর ভিত্তি করে আইপি এড্রেস হচ্ছে একটি অদ্বিতীয় এড্রেস। অর্থাৎ আপনি যে আইপি এড্রেসটির মালিক তা আর কারও কাছে নেই। আপনার ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান এই আইপি এড্রেস এর মাধ্যমেই অবগত থাকেন, তিনি আপনার কাছে যে তথ্য পাঠাচ্ছেন এবং আপনি তা যথাযথভাবে পাচ্ছেন।

আপনার নিজের আইপি এড্রেস দেখা :

  • প্রথমে Start->Run->খালি ঘরে লিখুন cmd
  • এবার কী-বোর্ড থেকে এন্টার চাপুন।
  • একটি কমান্ড এরিয়া দেখতে পাবেন। সেখানে লিখুন netstat -n
  • এন্টার চাপুন। একটি লিস্ট আপনার সামনে আসবে। লোকাল এড্রেসের দিকে খেয়াল করুন। যেটি প্রথমে আসবে সেটিই আপনার আইপি এড্রেস।
দ্বিতীয় নিয়ম : আপনার ব্রাউজারের এড্রেস বারে লিখুন http://www.whatismyip.com
একটি ওয়েবসাইট খুলবে। সেখানেই বড় অক্ষরে আপনি আপনার বর্তমান আইপি দেখতে পাবেন। নিচের লিস্টটি মনে রাখুন। পরবর্তীতে কাজে লাগবে।
ftp—->21
smtp—>25
dns—->53
http—>80
https—->81
pop3—->110
telnet—>23
নাম্বারগুলো হচ্ছে পোর্ট নাম্বার। এ সম্পর্কে পরে কোন এক সময় আলোচনা করা হবে।

কোন ওয়েবসাইটের আইপি বের করার নিয়ম :

যদি আপনি কোন ওয়েবসাইট বা কোন ব্যক্তির একাউন্ট বা তার পিসি হ্যাক করবেন তাহলে সবর্প্রথম যে কাজটি করতে হবে তা হচ্ছে তার আইপি এড্রেস সংগ্রহ করা। যতক্ষন পযর্ন্ত না আপনি তার আইপি এড্রেস বের করতে পারছেন ততক্ষন পযর্ন্ত আপনি তার কি ই বা করতে পারবেন? এখন আপনাদের দেখাচ্ছি যেভাবে কোন ওয়েবসাইটের আইপি এড্রেস বের করবেন।
  • প্রথমে Start->Run->খালি ঘরে লিখুন cmd
  • এবার কী-বোর্ড থেকে এন্টার চাপুন।
  • একটি কমান্ড এরিয়া দেখতে পাবেন। সেখানে লিখুন tracert websitename
  • এন্টার চাপুন। এখন কিছু তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার সামনে আসবে।
আপনি সেখানে নীল রংয়ের কিছু লেখা দেখতে পাবেন। আপনি সেখানেই আপনার কাঙ্খিত আইপি এড্রেসিট দেখতে পাবেন। নীল লেখাগুলোর প্রথম লাইনেই আপনি আইপিটি দেখতে পাবেন। দ্বিতীয় লাইন সহ এভাবে সবোর্চ্চ ৩০টি হুপ দেখতে পাবেন।

হুপের ব্যাখ্যা :

যখন আপনি কোন ওয়েবসাইটে প্রবেশের চেষ্ঠা করেন তখন আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কিছু তথ্য সেই ওয়েবসাইটের কাছে প্রেরন করেন যার প্রতিউত্তরে সেই ওয়েবসাইটটিও আপনার কাছে কিছু তথ্য প্রেরন করে (যার ফলাফল স্বরূপ আপনি ওয়েবসাইটটিকে দেখতে পান)।এই প্রক্রিয়াটি চলতেই থাকে। মনে করুন আপনি কমান্ড এরিয়ায় লিখলেন tracert yahoo.com
তখন আপনার এই তথ্যের প্যাকেজটি গুগলের সার্ভারে (যেখানে তথ্য জমা থাকে) যাবে।গুগলও আপনাকে এর প্রতিউত্তর পাঠাবে। যেহেতু গুগল একটি বড় সাইট সেহেতু এর অনেকগুলো সার্ভার রয়েছে। সুতরাং প্রতিউত্তরগুলো সেসকল সার্ভার থেকেই আসে। এবার আপনি আপনার কমান্ড এরিয়ায় লক্ষ করুন সেখানে সবোর্চ্চ ৩০টির মত আইপি হুপ রয়েছে। এতগুলো আসার মানে হচ্ছে, গুগল তার যতগুলো সার্ভার থেকে আপনার কাছে তথ্য প্রেরন করছে সেই সার্ভারগুলোর আইপি হুপই আপনি দেখতে পাচ্ছেন।
কমান্ড এরিয়ায় আপনি * ধরনের কিছু চিন্হ দেখতে পাবেন। এর মানে হচ্ছে এই যে সে স্থানগুলোতে ফায়ারওয়াল স্থাপন করা রয়েছে যাতে করে যে কেউ সহজে আক্রমন করতে না পারে।

সাধারন ভূল-ধারনা :

অনেকেই আছেন যারা মনে করেন যে ইন্টারনেট থেকে কোন উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন স্পশর্কাতর তথ্য বা তথ্যাদি দেখা বা জানা যায় না। আসলে এটি ভূল ধারনা। মনে করুন ইন্টারনেটে অনেকেই হটফাইল বা রেপিডশেয়ারের প্রিমিয়াম একাউন্ট দেয়, যা থেকে আপনি উপকৃত হন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আপনি জানেন না এই একাউন্ট কোথা থেকে দেয়া হয়েছে? আপনি ইচ্ছে করলেই এসব তথ্য জানতে পারেন।
যখন আপনি কমান্ড এরিয়ায় কোন ওয়েবসাইটের বিপরীতে nslookup লিখে এন্টার দিবেন তখন হয়ত এরকম লেখাও আসতে পারে যে You are now authentized to this route.
এ রকম কিছু লেখা দেখলেই আপনি বুঝে নেবেন যে, ওই ওয়েবসাইটে স্পশর্কাতর তথ্য রয়েছে। ওই ওয়েবসাইট সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আপনি নিচের ওয়েবসাইটগুলো ব্যবহার করতে পারেন।
ঐ সকল ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র ওয়েবসাইটটির নাম দিয়েই আপনি এর আইপি, স্থান, মালিকের নাম, কবে কেনা হয়েছে, মেয়াদ কত দিনের, দৈনিক ভিজিটর সংখ্যা, নেম সার্ভার ইত্যাদি বিভিন্ন তথ্য জানতে পারবেন। তথ্য জোগাড় করা একজন হ্যাকারের প্রাথমিক কাজ। এটি না করলে আপনি কিছুই করতে পারবেন না। আশা করছি আপনারা কোন ওয়েবসাইটের ব্যাপারে প্রাথমিক তদন্তের কাজটি যথাযথভাবে করতে পারবেন। এতক্ষন আপনারা যা শিখলেন তা হচ্ছে শুধুমাত্র ওয়েবসাইট কেন্দ্রিক। পরবর্তী অধ্যায়ে আপনাদেরকে জানাব কিভাবে কোন ব্যাক্তিকে ট্রেস করবেন। সে পযর্ন্ত ভালো থাকুন।

2 হ্যাকিং লার্নিং :: হ্যাকার কারা? হ্যাকারদের জন্য ফোরাম, রিসোর্স ও মুভি


হ্যাকার যারা :

হ্যাকার হচ্ছেন একজন ব্যাক্তি যিনি শুধুমাত্র বিভিন্ন মাধ্যম/সিস্টেম এর খুত খুজে বের করে। কিন্তু তিনি এর ক্ষতিসাধন করেন না। একজন হ্যাকার মূলত একজন প্রোগ্রামার যার প্রধান কাজ হচ্ছে অনলাইনে কোন সিস্টেমের খারাপ দিকগুলো খুজে বের করা। তারা প্রোগ্রামার এবং তারা প্রোগ্রাম নতুন নতুন খুত বের করতে ব্যবহার করে।

হ্যাকার ফোরাম :

আপনি একজন হ্যাকার হতে হলে প্রথমে আপনাকে বিভিন্ন ইথিকাল হ্যাকার যারা মূলত ইলিট (এ ব্যাপারে আগের অধ্যায়ে বলা হয়েছে) তাদের থেকে গুরুত্বপূর্ণ টিপসগুলো শিখে নিতে হবে। আর বিভিন্ন ধরনের টিপস নিয়ে আলোচনা হয় ফোরামে। নিচে হ্যাকারদের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ফোরামের লিংক প্রদান করা হল। ফোরামগুলোতে যোগদিন এবং নিয়মিত পোষ্টগুলো পড়ুন। কোন বিষয় জানতে চাইলে সেখানেই সাহায্য চাইতে পারেন।

হ্যাকিং রিসোর্স :

হ্যাকিং করতে হলে বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়, প্রয়োজন হয় কোড, স্ক্রিপ্ট, ডর্ক ইত্যাদির। নিচে কিছু লিংক দেয়া হল যেখান থেকে আপনি অনেক মূল্যবান হ্যাকিং রিসোর্স পেতে পারেন যা আপনাকে হ্যাকার হতে সাহায্য করবে।

হ্যাকার মুভি :

শিরোনাম দেখে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন এখন চলে এলাম একেবারে বিনোদনে। হ্যা হ্যা। সারাদিন কাজ করলেই কি আর চলে? একটু বিনোদনও তো করা লাগে, নাকি? নিচে কিছু মুভির নাম দেয়া হল যা একজন হ্যাকারের দেখা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে এখনই আরম্ভ করে দিন বিনোদন। আর হ্যা কোনটা কেমন লাগলো সে সম্পর্কে শেয়ার করতে ভুলবেন না কিন্তু। ভালো থাকবেন। আমার জন্য দোয়া করবেন। আজ এ পযর্ন্তই।
  • TRON (1982)
  • THE GIRL WITH THE DRAGON TATTOO (2009)
  • WARGAMES (1983)
  • DIE HARD 4:LIVE FREE OR DIE HARD (2007)
  • SNEAKERS (1992)
  • THE MATRIX (1999)
  • EXISTENZ (1999)
  • THE CONVERSATION (1974)
  • THE SCORE (2001)
  • FOOLPROOF (2003)
  • HACKER (1995)
  • ANTITRUST (2001)
  • PIRATES OFSILICONVALLEY(1999)
  • THE LAWNMOWER MAN (1992)
  • THE CORE (2003)
  • VIRTUOSITY (1995)
  • TAKEDOWN (2000)
  • DEJA VU (2006)
  • ONE POINT O (2004)
  • REVOLUTION OS (2001)
  • THE NET (1995)
  • TRON : LEGACY (2010)
  • THE ITALIAN JOB (2003)
  • DISCLOSURE (1994)
  • JURASSICPARK(1993)
  • SWORDFISH (2001)
  • THE THIRTEENTH FLOOR (1999)
  • UNTRACEABLE (2008)
  • GAMER (2009)
Resource : about.com

1 হ্যাকিং পরিচিতি (হ্যাকিংয়ে হাতেখড়ি)


সুপ্রিয় বন্ধুরা, আমরা এখানে যে বিষয়টি শিখব সেটি হচ্ছে হ্যাকিং।
হ্যাকার হচ্ছেন সেই ব্যক্তি যিনি নিরাপত্তা/অনিরাপত্তার সাথে জড়িত এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বল দিক খুঁজে বের করায় বিশেষভাবে দক্ষ অথবা অন্য কম্পিউটার ব্যবস্থায় অবৈধ অনুপ্রবেশ করতে সক্ষম বা এর সম্পর্কে গভীর জ্ঞানের অধিকারী। সাধারনভাবে হ্যাকার শব্দটি কালো-টুপি হ্যাকার অর্থেই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় যারা মূলত ধ্বংসমূলক বা অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে থাকেন। এছাড়া আরো নৈতিক হ্যাকার রয়েছেন (যারা সাধারনভাবে সাদা টুপি হ্যাকার নামে পরিচিত) এবং নৈতিকতা সম্পর্কে অপরিষ্কার হ্যাকার আছেন যাদের ধুসর টুপি হ্যাকার বলে। এদের মধ্যে পার্থক্য করার জন্য প্রায়শ ক্র্যাকার শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যা কম্পিউটার নিরাপত্তা হ্যাকার থেকে একাডেমিক বিষয়ের হ্যাকার থেকে আলাদা করার জন্য ব্যবহার করা হয় অথবা অসাধু হ্যাকার (কালো টুপি হ্যাকার) থেকে নৈতিক হ্যাকারের (সাদা টুপি হ্যাকার) পার্থক্য বুঝাতে ব্যবহৃত হয়। —উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহিত
হ্যাকাররা ভার্চুয়াল জগতে নতুন কিছু সৃষ্টি করতে পারে,সমস্যার সমাধান করতে পারে। তারা স্বাধীনতা এবং পারস্পরিক সহযোগীতায় বিশ্বাসী। হ্যাকার হওয়ার সর্বপ্রথম শর্ত হচ্ছে আপনাকে আগে ঠিক করতে হবে আপনি কোন ধরনের হ্যাকার হবেন। উপরে ৩ ধরনের হ্যাকার সম্পর্কে বলা হয়েছে। আপনাদের সুবিধার্থে আরেকটু পোষ্ট করছি।
  • সাদা টুপি হ্যাকার (White Hat Hacker)- এরা কম্পিউটার তথা সাইবার ওয়ার্ল্ডের নিরাপত্তা প্রদান করে। এরা কখনও অপরের ক্ষতি সাধন করে না। এদেরকে ইথিকাল হ্যাকারও বলা হয়ে থাকে।
  • ধূসর টুপি হ্যাকার (Grey Hat Hacker)- এরা এমন একধরনের হ্যাকার যারা সাদা টুপি ও কালো টুপিদের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থান করে। এরা ইচ্ছে করলে কারও ক্ষতি সাধনও করতে পারে আবার উপকারও করতে পারে।
  • কালো টুপি হ্যাকার (Black Hat Hacker)- হ্যাকার বলতে সাধারনত কালো টুপি হ্যাকারদেরই বুঝায়।  এরা সবসময়ই কোন না কোন ভাবে অপরের ক্ষতি সাধন করে। সাইবার ওয়ার্ল্ডে এরা সবসময়ই ঘৃনিত হয়ে থাকে।

এছাড়াও আর কিছু হ্যাকার ধরন রয়েছে। যেমন :-

  • স্ক্রিপ্ট কিডি (Script Kidie)- এরা নিজেরা কিছুই পারে না বরং বিভিন্ন টুলস্ বা অন্যের বানানো স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে এরা কার্যোসিদ্ধি করে।
  • নিওফাইট বা নোব (Neophyte or nOOb)- এরা হ্যাকিং শিক্ষার্থী। এরা হ্যাকিং কেবল শিখছে। অন্য অর্থে এদের বিগিনার বা নিউবাই বলা যায়।
  • নীল টুপি হ্যাকার (Blue Hat Hacker)- এরা আসলে হ্যাকিংয়ের সাথে তেমন জড়িত নয়। কোন সফটওয়ার বা সিস্টেম শুরু করার পূর্বে এরা ঐ সফটওয়ার বা সিস্টেমের খারাপ বা ক্ষতিকারক দিকগুলো যাচাই বাছাই করে তা শোধরানের চেষ্টা করে।
  • হ্যাকটিভিস্ট (Hacktivist)- এরা মূলত কোন রাজনৈতিক ব্যাপার, ধর্ম, সোসাল এ্যাটাক ইত্যাদির সাথে জড়িত। তবে অধিকাংশ হ্যাকটিভিস্টরা মূলত ডস এ্যাটাক বা ডি-ডস এ্যাটাকের সাথেই জড়িত। ডস বা ডি-ডসের ব্যাপারে আপনারা পরে জানতে পারবেন।
ধারাবাহিক ভাবে এ হ্যাকিং টিউটোরিয়াল প্রকাশিত হবে।

কিছু নির্দেশনা নিচে দেয়া হল:

  • সবগুলো টিউটোরিয়াল খুব ভালোভাবে অধ্যায়ন করতে হবে।
  • নিজে নিজে এগুলো অনুশিলনের চেষ্টা করতে হবে।
  • কথনই নিজে অরক্ষিত থেকে হ্যাকিং চেষ্টা চালাবেন না।
  • মনে রাখবেন কিছু কিছু টিউটোরিয়াল হবে অনৈতিক, তাই সেগুলোর যেকোন দায়ভার আমরা বহন করব না।
আজ এ পর্যন্তই। আমার সাথে থাকুন। ধন্যবাদ।